Tuesday, February 19, 2019

কোয়েলের বাচ্চার ব্রুডিং তাপমাত্রা


কোয়েলের ব্রুডিং পরিবেশের তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।
বয়স
তাপমাত্রা(সেলসিয়াস)
তাপমাত্রা(ফারেনহাইট)
১ম সপ্তাহ
৩৫ ডিগ্রি
৯৫ ডিগ্রি
২য় সপ্তাহ
৩২.২ ডিগ্রি
৯০ ডিগ্রি
৩য় সপ্তাহ
২৯. ডিগ্রি
৮৫ ডিগ্রি
৪র্থ সপ্তাহ
২৭.৬ ডিগ্রি
৮০ ডিগ্রি

সাধারনত তিন সপ্তাহের বেশি ব্রুডিং করা লাগে না।তবে শীতের দিনে ব্রুডিং চার-পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত করতে হয়।
ব্রুডিং তাপমাত্রার গোপন কথা হচ্ছে যে,ব্রুডিং যত সপ্তাহই করা লাগুক না কেন।প্রথম সপ্তাহের যে তাপমাত্রা দেয়া লাগে।এরপরে প্রতি সপ্তাহে ৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট করে কমাতে ভবে।
যেমন উপরের ছকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত ব্রুডিং তাপমাত্রা দেয়া আছে।কিন্তু শীতের সময় যদি চার সপ্তাহ পর্যান্ত তাপ দেয়া লাগে তবে,৫ম সপ্তাহে এই তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট কমে গিয়ে দাঁড়াবে ৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
কোয়েলের খাদ্য
কোয়েল পাখির জন্য বাজারে স্পেশাল্ভাবে কোনো ফিড কোম্পানি খাদ্য তৈরি করে নাতবে বাজারে যে মুরগির খাদ্য পাওয়া যায় সেই খাবারই কোয়েলের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়
কোয়েল পাখির খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ এদের বয়স,শীত মৌসুমগ্রীষ্ম বা বর্ষাকাল এবং খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টির ঘনত্ব (প্রধান শক্তি ও আমিষইত্যাদি উপাদানের উপর নির্ভর করে। জন্মের দিন থেকে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত বাচ্চাপ্রতি মাত্র ৪০০-৫০০ গ্রাম খাদ্যের প্রয়োজন হয়৷ ছয় সপ্তাহ বয়স থেকে প্রতিটি পাখির দৈনিক ২০-২৫ গ্রাম খাদের প্রয়োজন হয়।

কোয়েলের খাদ্যকে তাদের বয়স অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
  1. বাচ্চাদের স্টার্টার খাদ্য
  2. বাড়ন্তদের গ্রোয়ার খাদ্য
  3. ডিম পাড়া পাখির লেয়ার খাদ্য
স্টার্টার খাদ্যঃ বাজারে প্রাপ্ত ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার জন্য যে স্টার্টার ফিড বা খাদ্য পাওয়া যায় সেটাই কোয়েলের বাচ্চাকে খাওয়ানো যায়
স্টার্টার খাদ্য সাধারনত ক্রাম্বল টাইপের ছোট ছোট গোলাকার গুড়া খাদ্য।
 দিন বয়স থেকে ২৫ দিন বয়সীকোয়েলের বাচ্চাদেরকে স্টার্টারখাদ্য দিতে হবে
গ্রোয়ার খাদ্যঃ বাজারে ব্রয়লার মুরগির জন্য যে গ্রোয়ার ফিড বা খাদ্য পাওয়া যায় সেটাই কোয়েলের জন্য ব্যবহার করা হয়
গ্রোয়ার খাদ্য সাধারনত পিলেট বা দানাদার টাইপের হয়।
২৬ দিন বয়স থেকে ডিম পাড়া শুরুকরার পরবর্তী  দিন পর্যন্তকোয়েলকে এই ব্রয়লার গ্রোয়ারখাদ্য খাওয়াতে হয়
লেয়ার খাদ্যঃ বাজারে প্রাপ্ত লেয়ার বা ডিম পাড়া মুরগির জন্য যে লেয়ার লেয়ার-১ ফিড বা খাদ্য পাওয়া যায় সেটাই ডিম পাড়া কোয়েলেকে খাওয়ানো যায়
লেয়ার খাদ্য সাধারনত ম্যাশ বা গুড়া টাইপের হয়।
এই লেয়ার লেয়ার-১ খাদ্য কোয়েলকে ডিম পাড়া শুরুর ১ সপ্তাহ পর থেকে রিজেক্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত খাওয়ানো হয়।
তবে অনেকেই আবার এই লেয়ার ফিডের সাথে তিন ভাগের এক ভাগ ব্রয়লার গ্রোয়ার ফিড মিশিয়ে খাওয়ায়।

কোথা থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করবেন???


কোয়েলের বাচ্চা অবশ্যই যে কোনো খামার থেকে সংগ্রহ করবেন।কোনো হকার বা দোকান থেকে না কেনাই উত্তম।কারন,দোকানদার অনেক দূর থেকে বাচ্চা এনে দোকানে রাখে এতে বাচ্চা একটা ধকল খায়।আবার আপনি বহন করে আপনার খামারে নিবেন এতে করে বাচ্চা গুলা আবার ও ধকল খাবে।এতে বাচ্চার উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।
তাছাড়া দোকানী যেহেতু লাভ করবে তাই সে কিন্তু বাচ্চাকে বেশি বেশি খাবার দিবে না ফলে বাচ্চা দূর্বল হয়ে পড়ে এবং বাচ্চার মান ভাল হয়না।
তাই আপনি অবশ্যই যেকোনো খামার বা হ্যাচারি থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করবেন।
খামারে বাচ্চা আনার আগে যা যা করতে হবে
খামারে বাচ্চা আনার আগে আপনাকে কিছু পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে-
  • খামারে বাচ্চা আসার আগে থেকেই আপনাকে ব্রুডিং ঘরে ব্রুডার চালু করে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে।(২৬ নিং পেজে দেয়া আছে)
  • ব্রুডার ঘর ভাল ভাবে জীবানুমুক্ত করে নিতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পরিস্কার ও জীবানুমুক্ত পাত্রে খাবার ও পানি রেডি করে রাখতে হবে।
  • প্রথম দিনের পানিতে লাইসোভিট বা গ্লুকোজ ও ভিটামিন-সি মিশিয়ে দিতে হবে।
বাচ্চা পরিবহন পদ্ধতি
কোয়েলের বাচ্চা পরিবহনের জন্য আপনি ফলের দোকানে যে চায়না কমলালেবুর সাদা প্লাস্টিকের কেজ পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে পারেন।
এছাড়া বাঁশের চাটাই দিয়ে তৈরি সাপের ঝুড়ির মত যে গোল খাঁচা পাওয়া যায় সেটাও ব্যবহার করতে পারেন।
এছাড়া মুরগির বাচ্চার পরিবহনের জন্য যে কাগজের কেজ পাওয়া যায় সেটা ব্যবহার করা যায়।
তবে বেশি ভাল হবে যদি ফলের দোকান থেকে চায়না লেবুর সাদা প্লাস্টিকের ঝুড়িতে পরিবহন করা যায়।


ব্রুডারে বাচ্চা ছাড়ার সময় যা যা করতে হবে

বাচ্চা পরিবহন করে খামারে নিয়ে আসার পরে বাচ্চা ব্রুডারে ছাড়ার সময় আপনাকে বিশেষ সতর্কতা মানতে হবে-
  • বাচ্চা এনেই তড়িঘড়ি করে ছেড়ে দিবেন না।প্রথমে বাচ্চার ঝুড়ি ব্রুডার ঘরে কয়েক মিনিট রাখুন।এতে করে বাচ্চা গুলা ব্রুডারের তাপমাত্রার সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।
  • এরপরে আস্তে আস্তে করে বাচ্চাগুলা ছাড়তে হবে।
  • বাচ্চা ছাড়ার পরে প্রথমে গ্লুকোজ মিশ্রিত পানি দিবেন।
  • পানি দেয়ার ২-৩ ঘন্টা পরে খাবার দিবেন।পানি দেয়ার আগে কখনোই খাবার দিবেন না।আগে পানি দিবেন তারপরে খাবার দিবেন।এতে করে বাচ্চার খাবার হজম করার ক্ষমতা বাড়ে।
  • ১ দিনের বাচ্চার জন্য প্রথম ৫ দিন পেপারের উপরে খাবার দিবেন।প্রতিদিন পেপার পরিবর্তন করে দিতে হবে
  • এরপরে বাচ্চা বড় হলে ফ্ল্যাট ট্রে তে খাবার দিতে পারেন।
  • পানির পাত্রে বাচ্চা যাতে পড়ে না যায় সে জন্য মার্বেল অথবা কয়েক টুকরা পাথর খন্ড পানির পাত্রে রাখতে হবে

পুরুষ ও মহিলা কোয়েলচেনার উপায়


পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে-
  1. বুকের পালক দেখে
  2. ডাক শুনে
  3. পায়ুপথ দেখে
এছাড়া বাচ্চা কোয়েলের ভেণ্ট পরীক্ষা করেও লিঙ্গ বাছাই করা যায় তবে সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ হতে হয়।

)বুকের পালক দেখেঃ
পুরুষ কোয়েলঃ সাধারনত পুরুষ কোয়েলের বুকের দিকের পালক গুলা গাঢ় বাদামি কালারের হয়ে থাকে।

মহিলা কোয়েলঃ মহিলা কোয়েলের বুকের দিকের পালক বাদামি কালারের মাঝে মাঝে কালো রঙ্গের ফোটা ফোটা থাকে।দেখতে ফুলের মত মনে হয়।

কোয়েলের বয়স ২৫ দিন না হলে এই পালক দেখে পুরুষ-মহলা শনাক্ত করা যায় না।কারন ২০ দিনের কম বয়সী বাচ্চাদের বুকের কালার দেখতে প্রায় একইরকম হয়ে থাকে।
ডাক শুনেঃ
পুরুষ কোয়েলঃ সাধারনত পুরুষ কোয়েল গলা টানা দিয়ে উচু হয়ে প্রচুর ডাকাডাকি করে।
তবে কোয়েলের বয়স যখন ৩৫ দিনের বেশি হয় তখনই কেবল এরা ডাকাডাকি করে থাকে।তাই ৩৫ দিনের কম বয়সয় পাখি এই পদ্ধতিতে সনাক্ত করা যায় না।
মহিলা কোয়েলঃ মহিলা কোয়েল সাধারনত ডাকাডাকি করে না।
পায়ুপথ দেখেঃ
পুরুষঃ প্রাপ্ত বয়স্ক কোয়েল (৪০-৪৫ দিন বয়সীএর পায়ুপথের দিকে টিউমারের মত ফোলা অংশ দেখা যায়এখানে হাল্কা চাপ দিলে সাদা ফেনার মত বের হবে।
মহিলাঃ মহিলা কোয়েলের পায়ুপথে এরকম কোনো ফোলা অংশ থাকে না।স্বাভাবিক ও প্লেইন থাকে।
বিঃদ্রঃ এক্ষেত্রে কোয়েলের বয়স ৪০-৪৫ দিন হতে হবে।
সাদা রঙয়ের কোয়েল পাখি বুকেরপালক দেখে চেনা যায় নাতাই সাদাপাখির লিঙ্গ নির্ণয়ের জন্য পায়ুপথ ডাক শুনে শনাক্ত করতে হবে

বিভিন্ন বয়সী কোয়েলের দাম
প্রথমেই বলে নিতে চাই-কোয়েলের বাচ্চার দাম স্থান,বয়স,সময়,কোয়ালিটি,চাহিদা ও খামারের মালিকের ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপরে নির্ভর করে।
যেমন খুলনায় বা বগুড়ায় বাচ্চার দাম আর চট্টগ্রামে বাচ্চার দাম একই না ও হতে পারে।আবার বিভিন্ন বয়সী ও ভাল-মন্দ কোয়ালিটির উপরের বাচ্চার দাম কম বেশি হতে পারে।
এছাড়া আমাদের দেশে যে রকম ব্রয়লার বা লেয়ারের বাচ্চার দাম একটা মহল ঠিক করে দেয়,কোয়েলের ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা নেই।খামারি পর্যায়ে বাচ্চার মালিক তার ইচ্ছামত বাচ্চার দাম কমিয়ে বা বাড়িয়ে নিতে পারেন।আবার দেখা যায় যে ডিমের চাহিদা শীতকালে বেশি থাকে তাই শীতের আগে বাচ্চার দাম বেড়ে যায় কারন সবাই তখন বাচ্চা তোলে। যার জন্য চাহিদা বেড়ে যায় ফলে বাচ্চার দাম ও বেডে যায়।কিন্তু গরমে ডিমের চাহিদা কমে যায় ফলে বাচ্চার দাম ও কমে যায়।
আবার এখন ২০১৭ সালে বাচ্চার দাম যা আছে ,তা হয়ত সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে।




তবুও আপনাদের কে একটা আইডিয়া দেয়ার জন্য আমি বর্তমান বাজার অনুযায়ী একটা লিস্ট দিয়ে দিলাম-
বয়স (দিন)
আনুমানিক দাম(টাকা)
১ দিন
-৮ টাকা
১৫ দিন
১৫-১৭ টাকা
২৫ দিন
২৫-২৬ টাকা
৩০ দিন
পুরুষঃ২৬-২৭ টাকা
মহিলাঃ৩২-৩৫ টাকা
৪০ দিন
পুরুষঃ৩০-৩২ টাকা
মহিলাঃ৪০-৪৫ টাকা

একটি আদর্শ কোয়েলখামারের বৈশিষ্ট্য


কোয়েল খামার করার জন্য কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে-
  • খামার টি অবশ্যই পূর্ব-পশ্চিম বরাবর লম্বা হতে হবে
  • খামারটি প্রস্থে ১৫ ফুটের বেশি হওয়া উচিত নয়তবে লম্বায় পূর্ব-পশ্চিম বরাবর যত খুশি বড় করা যেতে পারেকিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে,সর্বোচ্চ ২০ ফুট পরে পরে বেড়া দিয়ে খোপ খোপ করে দুই বা ততোধিক রুমে ভাগ করে নিতে হবে
  • অবশ্যই খামারের চারিদিকে খোলামেলা রাখতে হবে যেন আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে
  • খামার টি এমন জায়গায় করতে হবে যেন সূর্যের আলো খামারে প্রবেশ করতে পারে
  • খামারে যেন ইঁদুর বিড়াল ঢুকতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে
  • খামারের চারিদিকে পর্দা লাগানোর সিস্টেম থাকতে হবেতবে পর্দার সিস্টেম এমন হতে হবে যেন-পর্দা দেয়ালের নিচ থেকে খামারের ভেতর থেকে রশি দিয়ে টেনে টেনে উপরের দিকে তোলা যায় অর্থাৎ পর্দা উপর থেকে নয়নিচ থেকে লাগাতে হবেকারন খামারের সৃষ্ট গ্যাস হালকা বলে তা উপর দিয়ে বের হবে কিন্তু উপরে যদি পর্দা দিয়ে আটকানো থাকে তবে গ্যাস বের হতে পারে না
  • অতিরিক্ত গরমে ফ্যান ও শীতে তাপ দেয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • পর্যাপ্ত খাবার ও পানির পাত্র থাকতে হবে।
  • খামারে ব্যবহৃত নেট লোহার বা জি আই তারের না হয়ে বর্তমানে প্লাস্টিকের নেট পাওয়া যায়-এগুলা চারিদিকের নেট হিসেবে ব্যবহার করলে ভাল হবে।কারন প্লাস্টিক রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হয় না।
কোন পদ্ধতিতে কতটুকুজায়গা লাগবে
লিটার পদ্ধতিতে সাধারনত জায়গা বেশি লাগে কিন্তু খাঁচায় পালন করলে জায়গা কম লাগবে
লিটারে জায়গা বরাদ্দঃ
লিটার পদ্ধতিতে প্রতি বর্গ ফুট জায়গায় ৫-৬ টি পূর্ণ বয়স্ক পাখি পালন করা যাবে
খাঁচায় জায়গা বরাদ্দঃ
খাঁচা পদ্ধতিতে প্রতি বর্গি ফুট জায়গায় ৭-৮ টি পূর্ণ বয়স্ক পাখি পালন করা যায়
বর্গ ফুটের হিসাব হচ্ছে আপনার খামার বা খাঁচার দৈর্ঘ্য(ফুটআর প্রস্থ(ফুট)গুন করলে যেটা বের হবে সেটাই বর্গ ফুট

উদাহরনঃ
আপনার খামারের দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট আর প্রস্থ ১০ ফুট
তাহলে টোটাল জাগয়ার পরিমাণ হবে=১৫ ১০ ১৫০ বর্গ ফুট
আর এই ১৫০ বর্গ ফুটে আপনি পূর্ণ বয়স্ক পাখি রাখতে পারবেন প্রায়=১৫০=৯০০ টি

আবার খাঁচা পদ্ধতি হলেআপনার খাঁচার দৈর্ঘ্য ৬ ফুট আর প্রস্থ ৩ ফুট হলে প্রতি তলার জায়গা হবে=৬ X=১৮ বর্গ ফুট।
এই ১৮ বর্গ ফুটে পাখি রাখা যাবে=১৮=১৪৪ টি।
এখন খাঁচাটি ৫ তাক বিশিষ্ট হলে মোট পাখি ধরবে৫ ১৪৪=৭২০ টি।

কোয়েল পালনের উদ্দেশ্য
সাধারনত দুইটি উদ্দেশ্যে কোয়েল পালন করা হয়ে থাকে
  1. ডিম উৎপাদনের জন্য
  2. মাংস উৎপাদনের জন্য
ডিম উৎপাদনে কোয়েলঃ
আমাদের দেশে প্রধানত ডিম উৎপাদনের জন্যই কোয়েল চাষ করা হয়ে থাকে।তবে পুরুষ পাখি গুলা যেহেতু ডিম দেয় না তাই পুরুষ পাখি মাংস হিসেবে বিক্রি করা হয়ে থাকে।
মাংস উৎপাদনে কোয়েলঃ
কোয়েলের মাংস এখনো আমাদের দেশে অতটা পরিচিত হতে পারে নি।তবে দেশের চট্টগ্রাম,সিলেট,মৌলভীবাজার এলাকায় কোয়েলের মাংস বেশ জনপ্রিয়।তারা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে কোয়েলের রোস্ট পরিবেশন করে।তাই এইসমস্ত এলাকায় যারা আছেন তারা মাংসের জন্য কোয়েল উৎপাদন করতে পারেন।

কোয়েল পালন সম্পর্কিতপ্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ  কোয়েল কত দিনে ডিম দেয় ? উত্তরঃ  কোয়েল পাখি সাধারনত ৪৫ দিন বয়স থেকে ডিম দিতে শুরু করে । তবে বাস্তবে প্রায় ৫৫ - ৬০ দিন সময় লেগে ...